Tuesday, June 15, 2021
Home আজকের ফতোয়া যুবসমাজকে বাঁচাতে টিকটক, লাইকি, বিগো নিষিদ্ধ করা সময়ের দাবি কেন?

যুবসমাজকে বাঁচাতে টিকটক, লাইকি, বিগো নিষিদ্ধ করা সময়ের দাবি কেন?

 

মুফতি মাসউদুর রহমান ওবাইদী

যুবসমাজকে বাঁচাতে টিকটক, লাইকি, বিগো নিষিদ্ধ করা সময়ের দাবি কেন?

নতুন প্রজন্ম মেতেছে নানান প্রযুক্তির খেলায়। উদ্বেগে অভিভাবকসহ গবেষকরা। ইন্টারনেট দুনিয়ার রঙিন তামাশায় অনেকে চিন্তিত সোনার টুকরো সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে। টিকটক, লাইকি, বিগো এখন তরুণ প্রজন্মের সময় কাটানোর মাধ্যম। টিকটকের মাধ্যমে অনেক কিশোর-তরুণ উদ্ভট রঙে চুল রাঙিয়ে এবং ভিনদেশী অপসংস্কৃতি অনুসরণ করে ভিডিও তৈরি করছেন, যাতে সহিংস ও কুরুচিপূর্ণ কনটেন্ট থাকে। উদ্বেগজনক যে এ টিকটক ভিডিওগুলোতে নেই কোনও শিক্ষণীয় বার্তা। উল্টো এসব ভিডিওর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা চলে যাচ্ছে। বিব্রতকর, অনৈতিক ও পর্নোগ্রাফিকে উৎসাহিত করায় ইতোমধ্যে ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়ায় ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের দেশের তরুণরা কী ভাবছে এ বিষয়ে? 

তরুণ প্রজন্মই আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। একটি দেশের তরুণ প্রজন্মকে যদি সঠিক পথে পরিচালিত করা যায় তাহলে দেশ ও জাতিকে উন্নয়নের সর্বাগ্রে আরোহন করানো যায়। টিকটক, লাইকি সাম্প্রতিক সময়ের খুব আলোচিত বিষয়। সস্তা জনপ্রিয়তা লাভের আশায় আমাদের তরুণ প্রজন্ম নেশায় বুদ হয়ে টিকটক, লাইকির দিকে ঝুকছে। এই এ্যাপসগুলো নাচ,গানসহ বিভিন্ন ফানি ভিডিও, বিভিন্ন মানুষকে নিয়ে ট্রল করা ভিডিও আপলোড করা হয়। কথাগুলো বলছিলেন, মেহেদী হাসান সাকিফ প্রাবন্ধিক, ইসলাম ও বিষয়ক কলাম লেখক, শিক্ষার্থী ইসলামিক স্টাডিজ টংগী সরকারি কলেজ।

বিজ্ঞাপনImage is not loaded

তিনি আরও বলেন, এই এ্যাপসগুলো যদিও বিনোদনের জন্য ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এসব বিনোদনের অনেকটাই অশ্লীলতা, নোংরামি এবং সুস্থ-সংস্কৃতির পরিপন্থী। অন্যদিকে আমাদের ধর্মীয় দৃষ্টিতেও এসব নিষিদ্ধ। আমাদের তরুণ প্রজন্ম যারা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে আগামী দেশ জাতিগঠনের কর্ণদার হওয়ার কথা। সৃজনশীল গঠনমূলক কাজের সাথে জড়িত থেকে দেশ ও জাতিকে ভালো কিছু উপহার দেওয়ার কথা। কিন্তু এই এ্যাপসগুলোর মাধ্যমে অশ্লীলতা, নোংরামিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের দিকে জড়িয়ে পড়ছে তারা।

একদিকে মিউজিক এবং ড্যান্স উভয়টিই ইসলামে হারাম বা নিষিদ্ধ। অন্যদিকে নৃত্য ও অভিনয়ের আপলোড করা ভিডিও মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ। ইসলামী বিধানমতে, যাদের সঙ্গে দেখা করা বৈধ নয় এমন ব্যাবহারকারীদের এই নৃত্য ও অভিনয়ের ভিডিও দেখছে। যার ফলে পর্দার বিধান লঙ্ঘনের মতো ভয়াবহ পাপ সংঘটিত হচ্ছে।এইসব মিউজিক এবং ড্যান্সের ভিডিও যারা তৈরি করছেন তারা একদিকে যেমন পাপী হচ্ছেন অন্যদিকে যত মানুষ তাদের তৈরি ভিডিও দেখছেন তত মানুষের সমান পরিমাণ পাপ তাদের আমল নামায় যুক্ত হচ্ছে।রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি মানুষকে নেক কাজের দাওয়াত দেবে সে ওই লোকদের সমপরিমাণ সওয়াব পাবে; যারা তার দাওয়াত পেয়ে নেক কাজ করবে অথচ তাদের সওয়াবের সামান্যও হ্রাস পাবে না। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি মানুষকে গুনাহের কাজের দাওয়াত দেবে সে ওই লোকদের সমপরিমাণ গুনাহ পাবে, যারা তার দাওয়াত পেয়ে গুনাহের কাজ করবে। অথচ তাদের গুনাহ হ্রাস পাবে না।’ (মুসলিম, হাদিস : ৬৯৮০)

মোটকথা টিকটক লাইকি রাষ্টীয়ভাবে নিষিদ্ধকরণের সাথে তরুণ-তরুণীদের ইসলামি মূল্যবোধ গড়ে তুলতে হবে। এগুলো বন্ধ করা এখন সময়ের দাবি। এর কুফল সম্বন্ধে জুমার বয়ানে, ওয়াজ মাহফিলে আলেমদের বেশি বেশি আলোচনা করতে হবে তরুণ-তরুণীদের। ইসলামি মূল্যবোধ গড়ে তুলতে মসজিদে মসজিদে বিশ্বনবীর জীবনি পাঠের প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে।ইমাম, আলেমদের তরুণদের ভালোবেসে মসজিদমুখী করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

টিকটক সম্পর্কে তথ্যভিত্তিক আলোচনা করতে গিয়েলেখক ও ব্লগার মাওলানা শাহাদাত হুসাইন জানান, টিকটক হলো বিশ্বব্যাপী প্রচারিত প্রায় চল্লিশটির অধিক ভাষায় উপলব্ধ ব্যবহারের শর্তাবতলী সমৃদ্ধ মালিকানাধীন ভিডিও শেয়ারিং সফটওয়্যার। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চালু হয়ে এশিয়ার নেতৃস্থানীয় ছোট ভিডিও প্লাটফর্ম এবং বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বড় সঙ্গীত ভিডিও মাধ্যম হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করে বিশ্বের দ্রুততম ক্রমবর্ধমান অ্যাপ্লিকেশন হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ২০১৮ সালের জুন মাসে ১৫০ মিলিয়ন সক্রিয় ব্যবহারকারীর মাইলফলকে পৌঁছে। টিকটকের প্রতিষ্ঠাতা হলো ঝাং ইয়েমিং। উন্নয়নকারী হলো গণচীন। সেখানে টিকটক নামের সাথে সাথে তা ডুয়িন নামেও পরিচিত। যার আক্ষরিক অর্থ হলো ‘গলা কম্পন ছোট ভিডিও’। নাচ, কৌতুক এবং শিক্ষার মত বিষয়ে ৩ থেকে ৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত সময়সীমার বিভিন্ন ধরনের ছোট ভিডিও তৈরি করার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম স্বরূপ এটি ব্যবহৃত হয়।

২০১৭ সালের জুলাই মাসে সিঙ্গাপুর ভিত্তিক সংস্থা বিগো কতৃক চালু হওয়া ৩৭ টি ভাষায় উপলব্ধ ছোট ভিডিও নির্মাণ ও ভাগ করে নেওয়ার প্লাটফর্ম হলো লাইকি । যা আইওএস এবং অ্যান্ড্রেয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জন্য প্রযোজ্য। ২০১৯ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের হিসেব অনুযায়ী লাইকির মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী ৮০.৭ মিলিয়নে পৌঁছে। তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ১০০.২ মিলিয়নে পৌঁছে।

এ জনপ্রিয় মাধ্যমগুলো বিশ্বব্যাপি ব্যাপক জনপ্রিয় হলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে সেগুলো বন্ধ এখন সময়ের দাবি। আমেরিকা, ভারত সহ আরো যে সব দেশে এগুলো বন্ধ করা হয়েছে সেখানে রাজনৈতিক স্বার্থ প্রধান হলেও বাংলাদেশের মত সকল মুসলিম দেশে রাজনৈতিক স্বার্থের থেকেও ধর্মীয় মূল্যবোধ, মুসলিম সমাজের শ্বাশ্বত সংস্কৃতি রক্ষাই প্রধান হওয়া কাম্য। কারণ সমাজের অবক্ষয় রোধের কথা যে সকল সুধিমহল তুলছেন সে তারাই অবলীলায় টিকটক, লাইকি ছাড়াও অন্য ভিন্ন মাধ্যমে নাটকের নাকে অশ্লীলতা, ওয়েভ সিরিজ নামে প্রকাশ্য যৌনতা, ভালো মেসেজ দেওয়ার জন্য তৈরি সিনেমায় বেহায়াপনাকে সমর্থন করে যায়। সুতরাং প্লাস মাইনাস করলে ঝোলার মধ্যে কেবল ইসলামি মূল্যবোধই থাকে। বাকিগুলো বিনোদনের বিভিন্ন স্তরে গিয়ে গুরুত্বসহকারে বৈধতাও পাও। তাই টিকটক লাইকি সহ উন্মুক্ত সকল প্লাটফর্মই সম্পূর্ণরূপে বন্ধ অথবা নির্দিষ্ট কোন বোর্ডের আওতায় আনা প্রয়োজন। তবে বোর্ডের আওতায় আনলে অন্য ভিডিওগুলো বিনা বাঁধায় ছাড় পেলেও অন্য মাধ্যমের ধর্মীয় ভিডিওগুলো নিয়মকানুনের বেড়াজালে আটকে দেওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

ধর্মীয় ও রক্ষণশীল পরিবারে বড় হওয়া ছেলে মেয়ে স্বল্প পরিসরের এ মাধ্যমগুলোতে সখের বসে এক দুটো ভিডিও তৈরির মাধ্যমে সাহাসি হয়ে উঠে। ব্যাপকভাবে প্রচলিত এক সময়ের যাত্রাপালায় স্বল্প পরিসরে ছোট কোন ভূমিকা মঞ্চস্থ করার মাধ্যমে যেমন আগেকার যুগে নায়ক নায়িকা নায়িকা হওয়ার সাহস পেতো যুগের পরিক্রমা ও বাংলাদেশে ইসলামের ব্যপক প্রচার ও প্রসারে যাত্রা পালার সে ভূমিকাই পালক করছে এখন টিকটক ও লাইকি। অন্যকে বিনোদন দেওয়ার নামে নিজের সর্বস্ব উজাড় করার এক মর্মান্তিক মহড়া চলে প্রতি অংশে। তাই মুসলিম প্রজন্ম সম্পূর্ণরূপে দেউলিয়া হওয়ার আগে তাদের সচেতন করার নিমিত্তেই এগুলো বন্ধ প্রয়োজন।

জামিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলূম কুমিল্লার শিক্ষক, কুমিল্লা জেলা যুব উলামা পরিষদের মুখপাত্র মুফতি নাজমুল হাসান বলেন, অশ্লীলতা, ট্রল ও ঠাট্টা বিদ্রুপ করা, ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত জঘন্যতম কাজ৷ আর গান-বাজনা তো ইসলামে স্বতঃসিদ্ধ হারাম৷ এসব কাজে যারা জড়িত, কুরআন ও হাদীসে তাদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে ভয়াবহ শাস্তির ঘোষণা রয়েছে৷ আর যারা এসবের নির্মাতা, তাদের শাস্তি হবে আরো দ্বিগুণ৷ কেননা, তারা নিজেদের পাপের বোঝার সাথে তাদের নির্মিত ভিডিওর দর্শকদের পাপের বোঝাও বইতে হবে৷

যুবসমাজ কে নষ্ট করার পেছনে অন্যতম দায় রয়েছে এই টিকটক ও লাইকি অ্যাপের৷ এইসব অ্যাপ দ্বারা নির্মিত ভিডিও দেখে বর্তমান যুবসমাজ তাদের চরিত্রকে কলুষিত করছে, চুল ও জামা-কাপড়ের নোংরা স্টাইল সহ কথাবার্তা ও আচার-ব্যবহারে উগ্রতা তারা এসকল ভিডিও থেকেই শিখছে, সমাজে ইভটিজিং ও ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ার পিছনেও এসকল অ্যাপের ভিডিওর দায় রয়েছে৷

এসকল অ্যাপসের মাধ্যমে ধর্মের অবমাননা করেও ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে৷ বিভিন্ন বক্তাদের বক্তব্যকে কাট করে ব্যঙ্গাত্মক অঙ্গভঙ্গিতে ভিডিও করা হচ্ছে, যা নিতান্তই নিন্দনীয়, ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ ও ইসলাম অবমাননাকর কর্মকাণ্ড৷ আমি মনে করি – বর্তমান পরিস্থিতির বিবেচনায় এসব অ্যাপস নিষিদ্ধ করা অপরিহার্য দায়িত্ব হয়ে পড়েছে৷ তাই দেশ, ধর্ম ও সমাজ রক্ষার স্বার্থে এসকল অ্যাপস অতিসত্বর নিষিদ্ধ করা হোক৷

নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে তরুণ আলেম ও জনপ্রিয় গ্রাফিক্স ডিজাইনার, মাওলানা আবদুল হান্নান মানছুর বলেন, টিকটক, বিগো লাইভ, লাইকি এইসব অ্যাপ তরুন প্রজন্মকে বিপথগামী করছে। নষ্ট হচ্ছে নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। এর কারনে বর্তমানে বহু তরুণ কিশোর গ্যাংয়ে জড়িয়ে অপরাধমূলক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে, হয়ে উঠছে সহিংস। তরুণ সমাজ এ আ্যপসের মাধ্যমে সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে চায় এবং নিজেকে জনপ্রিয় ভাবতে শুরু করে। ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া সহ অনেক দেশে এই এ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, বাংলাদেশেও নিষিদ্ধ করা হোক।

তরুণ সমাজসেবক ও গণমাধ্যমকর্মী রফিকুল ইসলাম জসিম বলেন, টিকটক বা লাইকিতে যেসকল ভিডিও পোস্ট করা হচ্ছে তার অধিকাংশই নৈতিকতা বর্জিত এবং মার্জিত আচরণের বিপরীত। টিক টক-লাইকির মাধ্যমে জড়িয়ে পড়ছে ভয়ানক অপরাধে। এ সকল নিন্মমানের এবং অসুস্থ প্রতিযোগিতাপূর্ণ ভিডিওর নির্মাণ, প্রদর্শন এবং অনুস্মরণের ফলে আগামিদিনে নতুন প্রজন্মের মাঝে আচরণগত অসুস্থতা পরিলক্ষ হতে পারে।

এদিকে টিকটক, লাইকি, বিগো লাইভ অ্যাপস বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জে আর খান রবিন। গত বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিটটি দায়ের করেন তিনি।

রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্য সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক ও বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী জানান, এই অ্যাপসগুলোর ফলে যুবসমাজ বিপথে যাচ্ছে। টিকটকের ফাঁদে পড়ে অনেকের ভবিষ্যৎ নষ্ট হচ্ছে। এসবকে কেন্দ্র করে অপরাধ প্রবণতাও বাড়ছে।

এর আগে গত ৮ অক্টোবর বিগো লাইভ, টিকটক ও লাইকি নামক মোবাইল ফোন অ্যাপ ব্যবহারে তরুণ প্রজন্ম বিপথগামী হওয়ায় এসব অ্যাপ বন্ধ বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি আইনি নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জে আর খান রবিন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সচিব, তথ্য মন্ত্রণালয় সচিব এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে এ নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশের জবাব না দেয়ায় আজ এ রিটটি দায়ের করা হয়।

নোটিশের বিষয়ে আইনজীবী জে আর খান বলেন, এসব অ্যাপের ব্যবহার তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামী করছে। নষ্ট হচ্ছে নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। তরুণ ও কিশোররা গ্যাংয়ে জড়িয়ে অপরাধমূলক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে, হয়ে উঠছে সহিংস। এই আ্যপসের মাধ্যমে সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে চায় এবং নিজেকে জনপ্রিয় ভাবতে শুরু করে।

আল্লাহ আমাদেরকে এ সকল কাজ থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন৷আমিন

জনপ্রিয় খবর