শিখোবাংলায়.কম: আল্লাহ তায়ালার মহান কিতাব আল-কুরআন এবং আমাদের প্রিয় নবী সায়্যিদুল মুরসালীন ও খাতিমুন-নাবিয়ীন (সা.)-এর সুন্নাহ তথা হাদীস ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডারের মূল উৎস। এই উৎসদ্বয়ের উপর ভিত্তি এক মহাসমুদ্র সমান জ্ঞানভাণ্ডার গড়ে উঠেছে। কুরআনের সাথে সাথে মহানবী (সা.)-এর হাদীস আমাদেরকে যুগের পর যুগ কালের পর কাল এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ইসলামের আলোকোজ্জ্বল পথে পরিচালিত করে যাচ্ছে। বহু যুগ পার হওয়া সত্ত্বেও মুসলমানরা দীন ইসলামের মূল শিক্ষা থেকে যে বিচু্যত হয়নি, তাতে পাশ্চাত্যের পণ্ডিতগণের অবাক হওয়ার অবধি নেই।

কুরআন-হাদীসের শিক্ষা এবং মুসলিম মনীষীদের এই শিক্ষার অব্যাহত চর্চাই তাদেরকে মূল বিশ্বাসে অটুট থাকতে সাহায্য করেছে। ইয়াহুদী-খ্রিস্টান ধর্মবেত্তাগণ তাওরাত-ইনজীলের মূল পাঠকে হুবহু রক্ষা করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। উপরন্তু তারা এর বাণীর ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মূল পাঠের বিকৃতি, বিলুপ্তি ও সংযোজন ঘটিয়েছেন ব্যাপকভাবে । ফলে তারা ধর্মের মূল শিক্ষা থেকে চরমভাবে বিচু্যত হয়ে পড়েছে।

পক্ষাত্তরে মুসলিম উম্মাহের ধর্মবেত্তাগণ কুরআনের মূল পাঠ অবিকল অবস্থায় ঠিক রাখার সাথে সাথে মহানবী (সা.)-এর হাদীসকেও একইভাবে সংরক্ষণ করেছেন। তারা যেমন লেখনীর মাধ্যমে, অদ্রুপ দৈনন্দিন জীবনে বাস্তব আমলের মাধ্যমে তা অতীতের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করেছেন ।

উম্মতের মনীষীবৃন্দ সর্বদা এই উম্মতকে এভাবে কুরআন-হাদীস সংরক্ষণের মাধ্যমে আলোকোজ্জ্বল পথে পরিচালিত করে আসছেন। খৃস্টানরা দুশো বছরের মাথায় তাদের কিতাবের মূল শিক্ষা হারিয়ে ফেলেছে। আর মুসলমানরা চৌদশত বছর ধরে ইসলামের মূল শিক্ষাকে অবিকল অবস্থায় উদ্ভাসিত রেখেছে।

এমনি একটি হাদীস গ্রন্থ ইমাম আদ-দারা কুতনী (রহ) রচিত সুনান গ্রন্থ। এটি অনুবাদ করেছেন মাওলানা মো: আবুল কালাম। এটি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

এই গ্রন্থে ইমাম দারা কুতনী (রহ) হাদীস বর্ণনার পাশাপাশি হাদীসের রাবীগণের অবস্থা, হাদীস গ্রহণীয় না বর্জনীয় প্রভৃতিও উল্লেখ করেছেন।

ডাউনলোড:

১ম খণ্ডের আলোচ্য বিষয় :

– কিতাবুত তাহারাত (পবিত্রতা)

– কিতাবুল হায়েয (ঋতুস্রাব)

– কিতাবুস সালাত (নামায)

এছাড়া হাদীস সংকলন, সংরক্ষণ, হাদীসের পরিচয়, হাদীস গ্রন্থের শ্রেণীবিন্যাস, ইমাম দারা-কুতনীর সংক্ষিপ্ত জীবনী সংযুক্ত রয়েছে।