শিখোবাংলায়.কম: মুসলমান মহিলা ডাক্তার পাওয়া গেলে মুসলমান মহিলাদের চিকিৎসা মুসলামন মহিলা ডাক্তার দিয়ে করোনো ওয়াজিব। মুসলমান মহিলা ডাক্তার পাওয়া না গেলে অমুসলিম মহিলা ডাক্তার দিয়ে করাবে। অমুসলিম মহিলা ডাক্তার পাওয়া না গেলে মুসলমান পুরুষ ডাাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করাতে পারবে। তাও পাওয়া না গেলে অমুসলিম পুরুষ ডাক্তার দিয়ে করাতে পাবে। তবে এক্ষেত্রে পুরুষ ডাক্তার চিকিৎসার প্রয়োজনে যতটুকু শরীরর দেখা দরকার শুধু ততটুকুই দেখতে পারবে। এর অতিরিক্ত দেখেতে পারবে না। আর সর্বাবস্থায় যতটুকু সম্ভব দৃষ্টি নিচু করেররাখবে। আর এ অবস্থায় পুরুষ ডাক্তারের সঙ্গে মহিলা রুগীর স্বামী ,পিতা,ভাই বা কোন মাহরাম পুরুষ থাকতে হবে। তার সম্ভব না হলে কমপক্ষে নির্ভরযোগ্য কোন মহিলা সঙ্গে থাকতে হবে।যাতে নির্জনতা (খুলুওয়াতে সহিহা) না হয়।-কারারাতু মাজমাইল ফিকহিল ইসলামি , জেদ্দা, পৃষ্ঠা-৪১

বাদায়াসহ বেশকিছু কিতাবে আছে ‘যদি লজ্জাস্থান ব্যতিত মহিলার পুরো শরিরে রোগ থাকে তাহলে চিকিৎসার প্রয়োজনে পুরুষ ডাক্তার তার দিকে তাকাতে পারবে । আর যদি লজ্জাস্থানেই সমস্যা থাকে তাহলে কোন মহিলাকে চিকিৎসা শিখিয়ে তার দ্বারা চিকিৎসা করাবে। হ্যাঁ, যদি এমন মহিলা পাওয়া না যায় যে চিকিৎসা করতে পারে। আর এদিকে রুগী মারা যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। অথবা তার ব্যথা ও কষ্ট সহ্যের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা হয়। তাহলে তার পুরো শরীর ঢেকে দিয়ে শুধু রোগাক্রান্ত জায়গাটি খোলা রেখে পুরুষ ডাক্তার চিকিৎসা করতে পারবে। তবে এ অবস্থায়ও ওই রোগাক্রান্ত জায়গা ব্যতিত বাকি জায়গা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে রাখবে।- বাদায়া ৫:১২৪, আলজাওহারাহ ২:৩৮৫, আবুস সাউদ ১:৪২৭

ফাতাওয়ায়ে শামির ৬:৩৭১ এ বলা হয়েছে, ‘যদি লজ্জাস্থান ব্যতিত মহিলার পুরো শরিরে রোগ থাকে। তাহলে চিকিৎসার প্রয়োজনে পুরুষ ডাক্তার তার দিকে তাকাতে পারবে । আর যদি লজ্জাস্থানেই সমস্যা থাকে তাহলে কোন মহিলাকে এ অবস্থায়  চিকিৎসা শেখানো ওয়াজিব। তাকে  চিকিৎসা শিখিয়ে তাকে দিয়ে চিকিৎসা করাবে। যদি তা না পারে তো ভিন্ন’। এখান থেকেই মহিলাদের ডাক্তার হওয়ার আবশ্যকীয়তার আরো শক্তিশালী প্রমাণ পাওয়া যায়।

সুতরাং উপরোক্ত ফাতাওয়ার ভিত্তিতে একথা প্রতীয়মান হয়, ‘মুসলিম পুরুষের পাশাপাশি মহিলাদেরও শরিআতের পাবন্দি সাপেক্ষে মেডিকেল সাইন্স বা ডাক্তারি বিদ্যা শিক্ষা দিতে হবে। এবং কোনো ক্ষেত্রে এটি ওয়াজিব।