শিখোবাংলায়.কম: গাইবান্ধায় ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে নূর আলম মণ্ডল (৩৬) নামে এক শিক্ষক। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীকে আজ ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের পাঠানো হবে।

শুক্রবার (০৬ নভেম্বর) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

শিক্ষক নূর আলম গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের পূর্ব পোগইল গ্রামের মৃত এমদাদুল হক মণ্ডলের ছেলে ও রামচন্দ্রপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক।

জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেল চারটায় নুর আলম একই গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীর বাড়িতে যান। এ সময় ওই ছাত্রীর মা পাশের বাড়িতে যাওয়ায় মেয়েটি একা ছিল। এ সুযোগে নুর আলম মেয়েটিকে ঘরের ভেতর নিয়ে ধর্ষণ করেন।

এ বিষয়ে ওই মেয়েটি জানায়, নুর আলম সম্পর্কে তার চাচা হন। এজন্য প্রথমে তিনি কিছু বুঝতে পারেননি। তাকে নুর আলম ঘরের ভেতর নিয়ে টেলিভিশন চালু করে সাউন্ড বেশি করে দিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় আত্মচিৎকার করলেও টেলিভিশনের শব্দে বাইরের কেউ তার চিৎকার শুনতে পায়নি। ধর্ষণ শেষে এ কথা কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখিয়ে ধর্ষক নুর আলম চলে যান। কিছুক্ষণ পর পাশের বাড়ি থেকে মেয়েটির মা ফিরে এসে মেয়ের অস্বাভাবিক অবস্থা দেখে জিজ্ঞেস করলে মেয়েটি ঘটনা খুলে বলেন।

এ ঘটনায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় মেয়েটির পক্ষ থেকে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ধর্ষক নুর আলম পলাতক রয়েছেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আফজাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় শিক্ষক নূর আলমের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া হয়েছে এবং মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের পাঠানো হবে। পলাতক ওই শিক্ষককে গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।