করোনার সময় গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমেছে আড়াই গিগা টন

139

শিখো বাংলায়: করোনা মহামারীর কারণে বিশ্ব অর্থনীতির অন্তত ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। এমনটাই উঠে এসেছে সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায়।

ফক্স নিউজে প্রকাশিত এই গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, এই সংকটকে কেন্দ্র করে বেকারসংখ্যা ১৫ কোটির কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। করোনা ভাইরাসের কারণে ইউরোপ এশিয়া আর যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটন খাতে ধস নেমেছে। কমে গেছে সব ধরনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম।

তবে গবেষণা বলছে, এসময় রেকর্ড পরিমাণ কমেছে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ। গবেষকরা বলছেন, একদিকে ২০০৮ সালের ভয়াবহ মন্দা পরবর্তী প্রকট আর্থিক সংকট, অন্যদিকে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমায় কার্বন নিঃসরণেও ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতি আগে কখনও দেখা যায়নি বিশ্বে। করোনাভাইরাস অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনলেও পরিবেশে ফিরেছে ভারসাম্য।

বিশ্বব্যাপী প্রায় সব দেশে একযোগে চলা লকডাউনে অন্তত ৩শ’ কোটি মানুষকে বাড়িতে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। এরমধ্যে ভারতেই লাখ লাখ মানুষ বাড়িতে অবস্থান করেছে। গবেষণায় বিশ্বের ৩৮ অঞ্চলের ২৬টি ভিন্ন ভিন্ন শিল্প খাতের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করা হয়েছে। যদি ১৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষ বেকার হয়, বিশ্ব অর্থনীতির ২ ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হবে। যেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অংশ ৫৩ হাজার কোটি ডলার।

উল্টোচিত্র প্রকৃতির জন্য। লকডাউনে অন্তত আড়াই গিগাটন কমেছে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন। এ কারণে বায়ুদূষণে কমেছে মৃত্যু কিংবা অসুস্থতার হার। তবে বিশ্বব্যাপী দিনদিনই নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। যা পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনলেও মানুষের বেঁচে থাকাকেই অনিশ্চিত করে দিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here