আন্তর্জাতিক শিশু নোবেল শান্তি পুরস্কারের চূড়ান্ত তালিকায় বাংলাদেশের মুনঈমের নাম

15

শিখো বাংলায়: আন্তর্জাতিক শিশু নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০২০ এর চূড়ান্ত তালিকায় নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশের শিশু বরগুনার সন্তান এম এ মুনঈম সাগর। আর মাত্র এক ধাপ বাকী। আগামী ১৩ নভেম্বর প্রকাশ করা হবে “আন্তর্জাতিক শিশু নোবেল শান্তি পুরস্কার” (International Children Peace Prize) প্রাপ্ত শিশুর নাম।

সারাবিশ্ব থেকে ১৮৩টি দেশের ১৮৩ জন শিশুকে নিজ নিজ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা মনোনয়ন দিয়ে নাম পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনোনয়ন নিয়ে এম এ মুনঈম সাগর এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। কয়েকটি ধাপ পেড়িয়ে চূড়ান্ত ৪২ জনের তালিকায় নাম লিখিয়ে শীর্ষ স্থানে রয়েছেন সাগর।

এম এ মুনঈম সাগর ইতোপূর্বে জাতীয় সেরা সমাজকর্মী স্টুডেন্ট অ্যাওয়ার্ড, জাতীয় সেরা স্কাউট মোটিভেটর অ্যাওয়ার্ড পুরস্কারের মতো ১৫টি জাতীয় পুরষ্কার এবং জাপান সরকারের অধীনে একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি একাধারে একজন শিশু শিল্পী, গায়ক, ঔপন্যাসিক, মানবতাবাদী, সমাজ কর্মী এবং শিশু অধিকারবাদী।

সে পথশিশু এবং গৃহহীন, মাতৃহীন শিশু এবং প্রতিবন্ধী মানুষের সমান মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখার চেষ্টা করছেন। তার বয়স মাত্র ১৬ বছর। বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ট্রাস্ট-বিডিডিটি নামে তার একটি পারিবারিক সামাজিক অলাভজনক সংস্থা রয়েছে। বিডিডিটির একটি কার্যনির্বাহী শাখা রয়েছে যা অসহায় শিশু, পথশিশু, মাতৃহীন শিশুদের সহায়তা এবং শিশুদের মৌলিক অধিকার পূরণে উপ-সংস্থা হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বর্তমানে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যায়রত। কৃতিত্বের সঙ্গে শিক্ষাজীবনের সকল ধাপ অতিক্রম করার পাশাপাশি অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে ১৫টি জাতীয় পুরস্কার ও জাপান থেকে একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন।

উল্লেখ্য, শাহ মো. হুমায়ুন সগির ও মনিরা বেগম দম্পতির বড় সন্তান এম এ মুনঈম সাগর। তার পৈত্রিক নিবাস বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার চামোপাড়া। জন্মস্থান ও বর্তমান ঠিকানা বরগুনা জেলা সদরের কলেজ ব্রাঞ্চ রোড (মুসলিম পাড়া) এলাকায়। তার বাবা-মা দুজনই সরকারি চাকরিজীবী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here