অনেক দিন ধরে কলম ধরি না।

127

শিখো বাংলায়: দ্বীনী ঘরানার বিতর্কে সহজে কলম ধরি না, এটাই আমার নীতি। সারাবছর খুঁজলে পেতে পারেন এক দুইটা। কেন যেন মনে হয় এতে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি। বারো কুতুবের জায়গা ফেবু বাজারে চিৎকার না করে টেবিলে সমাধানের পক্ষে আমি।

আমাদের ঘরানার সাম্প্রতিক মহাসংকটেও যতদূর পারছি চুপ থাকছি। বরং হতাশাগ্রস্তদের উৎসাহিত করছি এই বলে ‘আরে মেঘ কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ!
এটা আমার বিশ্বাস। লাখো বুযুর্গের চোখের পানি আর রক্তের উপর বেড়ে উঠা ক্বওমী বৃক্ষের মূলে পচন ধরার পক্ষে আমি নই। আমাদের মূল গ্রামের ছোট্ট ছোট্ট মকতব মাদ্রাসা।
হাঁ, কিছু ডালাপালা আর ছালের পচনকে অস্বীকার করছি না। একটু ছেঁটে দিলে তা কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ।
জেদাজিদি কারো জন্য মঙ্গল বয়ে আনে না। বিশেষকরে, পক্ষ যখন হয় সিনিয়র জুনিয়র, তখন সিনিয়রদের নমনিয়তাই সময় বিবেচনায় উত্তম। কারণ, ছোটদের হারানোর কিছু নেই। যুদ্ধ বাঁধলে তরুণতুর্কীদের রোখা যায় না। ক্ষমতা, পাওয়ার দিয়ে আগুন নেভানো যায় না, তার জন্য পানি দরকার। আমি যদি হই শরিরের মাথা, ছোটরা সেই শরিরের হাত। তাদের ব্যথা সকলের ব্যথা। চুপ থাকার অর্থ সাপোর্ট নয় এটা বুঝুন। ছোটদের কথাগুলো এখন প্রায় সকলের। দূর্ণীতিমূক্ত স্বাধিনতা আর স্বকিয়তার পক্ষে গোটা সমাজ। প্রজ্জ্বলিত আগুন পেট্রল মাখানো লাঠি দিয়ে নেভানো যাবে না। সম্ভবত এ ভুলটিই আমরা করছি।
উত্তপ্ত পরিবেশটাকে আরো উত্তপ্ত করে দিলাম। দায়িত্বশীলদের কাছে এটা কাম্য নয়।
স্বগোত্রীয় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে মামলা, প্রশাসনিক হয়রানী ভালো উদাহরণ নয়। যা হয়েছে হয়েছে, এবার একটু উদারতার পরিচয় দিন। প্লিজ, লাতীফ মা’বূদের দোহাই লাগে, রাহমানের ওয়াস্তে থামুন!
স্নেহের ভাগ্নে, প্রিয় আশরাফ মাহদিকে বুকে টানুন।
হুমকি নয়, বাস্তবতা-‘প্রজন্মকে উপেক্ষা করে টেকা যাবে না!’।
প্রিয় বন্ধু মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজীসহ সকল আলেমের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করুন।

(Muhammad Hasan Jamil) পেজ সংগ্রহ করা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here